Warning: Undefined variable $masonry in
/home/howsbdco/public_html/wp-content/themes/tulip/functions.php on line
324
Warning: Undefined variable $masonry in
/home/howsbdco/public_html/wp-content/themes/tulip/functions.php on line
324
Warning: Undefined variable $masonry in
/home/howsbdco/public_html/wp-content/themes/tulip/functions.php on line
324
প্রশ্নের বাণ কুদরত রাহমান প্রশ্ন করতে চাই, তুমি কি শুনেছো, মানুষের আর্তনাদ, করুণ কাহিনী তুমি কি দেখেছো, অনাহারী মানুষের কঙ্কালসার দেহ, ক্ষুধার তাড়না অনুভব করেছো কখনও, কষ্ট কেমন, ক্লান্তি আর অবসন্ন জীবনের যন্ত্রণা কেমন করে মানুষ চিতা কিংবা সমাধি বা কবরের অপেক্ষায় কাটায়? ভেবেছো একবারও, এই ভবে কেনো তুমি এসেছো, কি কর্ম তোমার কেনোই বা তুমি বাঁচতে মরিয়া, ঠকাতে মরিয়া,…
বন্ধু আমার কুদরত রাহমান মনে হয়ও চোখে যাদু আছে,জ্ঞান হারায়অশ্রু ঝরায়,আবার নতুন করে,বাঁচতে শেখায়।তাহারেও কিএমনই হয়?ওর কথায়কি যেন কষ্ট আছে,কবিকে ভাবায়মানবতা জাগায়,তাহারে পাশে দাঁড়াতেআকাঙ্খা জাগায়।এই তুমিযতদূর যেতে চাওবন্ধুকে সঙ্গে নাওএকলা পথের সাথি হতেইচ্ছেটা নির্দিধায়।। আরও পড়ুন কুদরত রাহমান এর কবিতা / সমাজের বলী See more and read more http://qudratwork.com
অকৃতজ্ঞ কুদরত রাহমান আকাশপানে চাও, যত খুশি তাকাওসুবিশাল শূন্যতার কত নিখুঁত রং দেখতে পাওআকাশ সবার জন্য, সে রূপ গুণ বিলিয়ে ধন্যসূর্যকে দেখো আলোর খনি রঙের ডিব্বা বটে,ওরা কতো উদার বাধাহীন পথ চলারওরা কতো নিষ্পাপ কলংক আড়াল করা উত্তাপমানুষ কূলের তরে ওরা কতই না উদার দাতাতবুও মানুষ অকৃতজ্ঞ, কতই না অজ্ঞ।ওরা কিছুই চায়না শুধু দেয় আর দেয়ওরা নির্ভেজাল নিয়মের বেড়াজাল ডিঙ্গায়শেখেনা…
অপবাদ নামা কুদরত রাহমান তবুও, তখন এবং এখনওমিথ্যা অপবাদ কাঁধে নিয়েওবাঁইচা রইছে কিছু কাঁনার বাপ, রাতকানা দিনকানা ছানীপড়াচিকিৎসায় সাইরা উঠিছে কত্তো,অন্তুর চক্ষু অন্ধ হইছে যারপোড়া কপালে ভরানাশে ভাঁড়বউয়ের গোলামীতে সে নচ্ছারযার সাধনায় জগতে আইলিদাঁড় করাইছোস কাঠগড়ায়হারামজাদা তারেই বলেজন্মদাতারে যে অবজ্ঞা করে।মুখের ভাষা বোঝা সহজবুকের ভাষায় পাষাণ যেসেই বিটাডা আজও বাঁইচাডাইনীর পরিণাম দেখবে সে।আরশ ছেদিয়া কম্পন হইছেপিঞ্জরে সইছে লইছে বইছেশুধু মাদার…
সমাজের বলী কুদরত রাহমান কথায় কথায় লাঠিপেটা, গৃহবন্দী দশাজব্বর একখান চারদেয়ালের কারাগারচম্পাকলি সেখানে বন্দী,দিন মাস বছরচোখের কোণে সুরমা ছাড়াই ছাই দাগচুল গুলা ঝইরা যায়, কাঁকই ছোঁয়া ছাড়াপুরুষের শাসন কারে কয়, হেতে জানছেকানছে, রানছে, বাড়ছে, ভুগছে ব্যামোতেচিৎকার কইরা আকাশ কাঁপাইয়া কইছেআর কতো, আর কতোরে আল্লাহ, পারিনোআন্নে আঁরে লইয়ে যান, আঁই বাঁচত চাই…বাঁচা কি এত্তো সহজ, ছাইড়া আইচে হেত্তনএহোনে শকুনের উপদ্রব, কুইড়া…
পথিকের অপেক্ষায় – কুদরত রাহমান ছোটো বড় কত হাজার চরণপ্রতিনিয়ত মাড়িয়ে চলেছে আমাকেআমি নিরবে নিভৃতে বুক পেতে আছিতোমাদের পদচারনায় রীতিমত ধন্য আমিছোট্ট ছোট্ট যান দ্বিচক্র তৃচক্র গরুর গাড়ীমহিষের গাড়ি, জীব জন্তু, পাখ পাখালিসবাই যায় মাড়িয়ে আমাকে, আমি মুখআমি বধির, তবুও আমি গর্বিত, মাটির পথপ্রখর রৌদ্র ছায়ায় বৃষ্টি বাদলে আমি আছিচুষে নেই পানি, সাধ্যের বাইরে গেলেকর্দমাক্ত হয় আমার প্রশস্ত বুক, কখনওখাঁ…
কথা – কুদরত রাহমান ১)কথার মত কথা হলেদূরের মানুষ আপন করে নেয়,কথার ছলে ব্যথা দিলেআপন মানুষ পর হইয়া যায়।। ২)কিছু কথা ভাবতে শেখায়কিছু কথা স্বপ্ন দেখায়কিছু কথা বাঁচতে শেখায়কিছু কথা শুধুই কাঁদায়। – কুদরত রাহমান আরও পড়ুন কুদরত রাহমান এর কবিতা /কামলা See more and read more qudratwork.com
নারাজি নামা কুদরত রাহমান কলিম চাচার বয়স হইছে,চুলে পাক ধরছেশুন্য হাতের সংসার, স্বপ্ন ছিলো, স্বপ্ন আছেগাধার মতো খাইটা পিইটা চলতে আছিলোগৃহযুদ্ধে বাবা মা তার দুই দেশে দু’ জন। শান্তি খুজতে গিয়া নিজেকে পুড়াইছেনতুনগো জন্যে কিছু একটা করার অভিপ্রায়প্রায় পঞ্চাশটি বছর পার কইরা, নদীর তটেস্বাভাবিক মৃত্যুর অপেক্ষায়, দিন গণনা…. হয়, নতুনগের জন্যে যা গড়তে পারছেতয়, খুব একটা কমকিছু কইলে ভুল হইবো…
মাগো ওরা বলে – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ “কুমড়ো ফুলে-ফুলে,নুয়ে প’ড়েছে লতাটা,সজনে ডাঁটায়ভরে গেছে গাছটা,আর আমিডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।খোকা তুই কবে আসবি ?কবে ছুটি?” চিঠিটা তার পকেটে ছিলছেঁড়া আর রক্তে ভেজা। “মাগো, ওরা বলেসবার কথা কেড়ে নেবে।তোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।বলো, মা, তাই কি হয়?তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।তোমার জন্যকথার ঝুড়ি নিয়েতবেই না বাড়ি ফিরবো। লক্ষী মা,রাগ ক’রো না,মাত্রতো আর ক’টা…
কামলা কুদরত রাহমান শোনরে দাদা ভোলা নাথচাল কিনবো রাঁধবো ভাত,আগে কামের ট্যাহা ফেলাতারপর যত পারিস চিল্লা। এহোনো গায় গতরে ক্যাদাকিনবো নুন তেল ময়দা,তোর তো আছে সবই দাদামোগের হয়নি রানদা। প্যাটের জ্বালায় কাম করি ভাইঘামে ভেজে জামাসাবান কিনার মুরোদ নাই তাইপোশাকের রঙ তামা। আমগো দেহে বল ছিলো তাইকামলা দিয়ে খাইহইলে বুড়া কেউ ডাহেনাবৃদ্ধভাতায় দিন যায়। এ-তো কথার নাইকো সুমায়ট্যাহা দাওরে আগেলাগছে…